তারা হলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭- ১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান তমাল, একই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আকরাম খান ইমন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ব্যাচের ছাত্র ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতো তারা রুপাতলি হাউজিংয়ের ২২ নম্বর রোডে ছায়া নিকেতন বাস ভবনে একত্রিত হয়। এসময় তারা আধিপত্য বিস্তার করার জন্য গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। আমাদের কাছে খবর আছে এই বাসায় মাদকের কারবার চলে। আমরা খবর পেয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে পুলিশকে খবর দেই।
মিজানুর দাবি, মইদুর রহমান বাকী ছাত্রলীগ নেতার পাশাপাশি মাদক সেবী ও কারবার চালিয়ে আসছেন।
অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান তমাল অভিযোগ অস্বীকার করে দাবী করেন, এই বাসায় চাঁদাবাজির উদ্দেশ্য আসছে ওরা। আমি তাদের বলছি,আমি তোমাদের ভার্সিটির বড় ভাই। চাঁদাবাজিতে বাঁধা দেওয়ার কারণে তারা এই মব সৃষ্টি করছে।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকী জানান, এই তমাল ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তারও হয়েছে। আমি শেখ হাসিনার পতনের এক বছর আগে ছাত্রলীগের রাজনীতি ছেড়েছি। এটা ক্যাম্পাসের সবাই জানে। তাছাড়া আমার তো ছাত্রলীগে কোনো পদ ছিলে না। তমাল ও ইমনের বাসায় মাঝে মধ্যেই গিয়ে ক্যাম্পাসের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। তার মানে এই নয় যে ষড়যন্ত্র করছি।
বরিশাল মহানগরের কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জীব কুমার নাথ বলেন, চারজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
