
শয্যা সংকটে মেঝেতে চলছে অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা।
দফায় দফায় সময় বাড়লেও গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের রশি টানাটানিতে প্রকল্পটি এখন শুধুই এক বিশাল কংক্রিটের স্থাপনা।
সাড়ে ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে।
নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর আরও সাত বছর কেটে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি হাসপাতালটি।
ভবনটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম।
নিউজ ডেস্ক // বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আর জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিনই বাড়ছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা। শয্যা সংকটে এক বিছানায় দুই শিশু, এমনকি জায়গা না পেয়ে মেঝেতে চলছে অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা। সেবা দিতে গিয়েও হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। অথচ এই চিত্র বদলানোর কথা ছিল আরও সাত বছর আগেই। বরিশাল মহানগরীর আমানতগঞ্জে নির্মিত ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালটি আজও আলোর মুখ দেখেনি। দফায় দফায় সময় বাড়লেও গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের রশি টানাটানিতে প্রকল্পটি এখন শুধুই এক বিশাল কংক্রিটের স্থাপনা।
গণপূর্ত অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১০ তলা ভিত্তির ওপর প্রাথমিকভাবে শিশু হাসপাতালটির চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। সাড়ে ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর আরও সাত বছর কেটে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি হাসপাতালটি।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই স্থবিরতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বরিশাল-এর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, 'জনবল আর সরঞ্জামের দোহাই দিয়ে গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের এই রশি টানাটানি অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে বিভাগের কয়েক লাখ শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।'