
আজ বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিশুর পল্লবীর বাসায় গিয়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
গত মঙ্গলবার দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, সকালে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সেটি খণ্ডবিখণ্ড করা হয়। হত্যার পর ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান তিনি। তবে তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বাসার ভেতরেই ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে আটক করা হয়।
এই ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন। সোহেল রানা গতকাল ঢাকার আদালতে এই ঘটনায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।