1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের মোবাইল থেকে বের করে বইয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০২ ০ বার সংবাদটি পরেছে

অনলাইন ডেস্ক // বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারের কর্ম পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাচ্চাদের মোবাইল থেকে বের করে খেলার মাঠ এবং বইয়ের মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে যশোরের প্রাচীন গ্রন্থাগার ‘যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি’ পরিদর্শনকালে গ্রন্থাগারে উপস্থিত নাগরিকদের উদ্দেশে এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বই পড়ার প্র্যাকটিসটা আমরা গড়ে তুলতে চাইছি। বাচ্চাদের মোবাইল থেকে বের করে নিয়ে এসে খেলার মাঠ এবং বইয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে চাইছি। এটার একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে।’
 
‘কতটুকু সফল হব, সেটা হচ্ছে পরের ব্যাপার। আমরা কাজটা শুরু করতে চাচ্ছি। আপনাদের মতো মানুষদের যখন দেখি তখন আমরা উৎসাহিত হই, আমি ব্যক্তিগতভাবে উৎসাহ পাই যে, নিশ্চয়ই বই পড়ার মানুষ এখনও রয়ে গেছে। নিশ্চয়ই আমাদের এই কাজটিতে আমরা সফল হব’, যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে সরকার যখন এই কাজটি শুরু করবে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র আছে উনাদের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করব তখন আপনাদের মতো মানুষ যারা সারা দেশে আছেন তাদের সাহায্য সহযোগিতা লাগবে তাহলেই আমরা দ্রুততার সাথে বই পড়ার এ কাজটি করতে পারব।’
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ সাহেবের সঙ্গে আমি বসেছিলাম কথা বলতে। উনাদের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়ার একটা বিষয় আছে।’ 
‘সরকারের পক্ষ থেকে আমরা ওনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাচ্ছি। প্রতি উপজেলার দুটো করে প্রাইমারি স্কুল আমরা টার্গেট করার চেষ্টা করছি। যেখানে আমরা বাচ্চাদের বই দেব। কোনো রাজনৈতিক বই না। রাজনীতির বাইরেও বিভিন্ন বিষয়ের বই আছে আমরা সেই ধরনের বই দেব, যেগুলো পড়লে বাচ্চারা অনেক কিছু শিখতে পারবে, বুঝতে পারবে, দ্বীন-দুনিয়া সম্পর্কে, পৃথিবী সম্পর্কে জানতে পারবে এ রকম বই দেব তাদের’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
 
তিনি বলেন, ‘বই দিয়ে আমরা সেটা তাদের ধীরে ধীরে বই পাঠে অভ্যাস করাতে চাইছি। শুধু তাই নয়, যে বইটা পড়বে সে বিষয়টাকে আমরা পরীক্ষার ভিতরে ইন্ট্রোডিউস করতে চাচ্ছি অর্থাৎ সেইটার মধ্য থেকে প্রশ্ন হবে। সেটার মধ্য থেকে তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে সেই পরীক্ষায় পাস করতে হবে।’
 
প্রধানমন্ত্রী যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে আসেন। প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন এই প্রাচীন লাইব্রেরিটি।
 
যশোর শহরের পাবলিক লাইব্রেরি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম গ্রন্থাগারগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভারতীয় উপমহাদেশে পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুরুর সূচনা লগ্নেই এই লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ