রাজ্য পুলিশকে পাঠানো এক সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কথিত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী এবং সাজা শেষ হওয়া বিদেশি নাগরিকদের এসব কেন্দ্রে আটক রাখা হবে। গত এক বছরে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে এমন কেন্দ্র গঠিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে এটি প্রথম উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গত বছরের নির্দেশ অনুযায়ী, আটক বিদেশিদের প্রত্যার্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত করতে এই হোল্ডিং সেন্টার নির্মাণের কথা বলা হয়।
তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে মানবাধিকার ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জটিলতা তৈরি হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা সন্দেহে অনেককে আটক করা হলেও, তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেরই বেশ কিছু প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। বিশেষ করে বাংলাভাষী মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিকরা, যারা কাজের সন্ধানে অন্যান্য রাজ্যে গিয়েছিলেন, তারাও আটকের শিকার হয়েছেন।
গত বছর এপ্রিলে ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ বেসামরিক নিহত হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কথিত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়। গুজরাট, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লি, ওড়িশাসহ বহু রাজ্যে কয়েক হাজার মানুষ-যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন-আটক হন। পরিচয় যাচাইয়ে কারও কারও ছয়-সাত দিন আটকে রাখা হয়। অনেককে ছেড়ে দেওয়া হলেও বেশ কিছু পরিবারকে বাংলাদেশে ‘পুশ-আউট’ করে দেওয়া হয়েছে।










Leave a Reply