
মামলায় আসামি করা হয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাবেক সভাপতি এস এম সমিনুজ্জামান সমিন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল, সাবেক সহসভাপতি নয়ন হাওলাদার, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মোবারেক হোসেন ইমন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাদুসহ আটজন।
এদিকে মামলা প্রত্যাহারসহ বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নাসীরুদ্দীনকে আটক করতে হবে, না হলে ছাত্রদল দায়িত্ব হাতে তুলে নেবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মামলার পর থানা থেকে বের হওয়ার সময় ছাত্রদল-যুবদলের নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পড়েন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ সময় মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে থানার সামনে থেকে পুরো এলাকা ঘিরে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। পরে বিএনপির সিনিয়র নেতারা এসে পরিবেশ শান্ত করেন। এর কিছুক্ষণ পর রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কড়া পুলিশি প্রহরায় নাসীরুদ্দীনসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা কালো রঙের মাইক্রোবাসে করে ঝিনাইদহ ছেড়ে যান।
এর আগে আজ জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদের সামনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও কেন্দ্রীয় নেতা মহিউদ্দীন রনির ওপর হামলা এবং ডিম নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছাত্রদল ও এনসিপি পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ তাঁর নেতা-কর্মীরা ঝিনাইদহ সদর থানায় অবস্থান নেন। তাঁরা মামলা না নেওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টা থেকে এনসিপির নেতা-কর্মীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা নানা রকম স্লোগান দিতে থাকেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মামলা নেন ওসি।
সদর থানার ওসি আসাদ উজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ তাঁর নেতা-কর্মীরা থানায় এসেছিলেন। তাঁরা আটজনের নাম উল্লেখ করে শতাধিক নেতা-কর্মীকে অজ্ঞাতনামা রেখে অভিযোগ করেছেন, বিষয়টি আমরা গ্রহণ করেছি।’
ওসি আরও বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতে তাঁদের নিরাপদে ঢাকার পথে যেতে সহযোগিতা করা হয়েছে।
Leave a Reply