1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ

দেশে আইসিইউ সেবায় ভয়াবহ সংকট বিরাজ করছে: ডা. জুবাইদা রহমান

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৮ ০ বার সংবাদটি পরেছে
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ।। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সেবায় ভয়াবহ সংকট বিরাজ করছে। বর্তমানে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য ক্রিটিক্যাল কেয়ার শয্যা রয়েছে মাত্র ১ দশমিক ৭টি, আর সাধারণ হাসপাতালের শয্যা রয়েছে মাত্র ৯টি। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৮ জেলাতেই কোনো আইসিইউ নেই। এছাড়া দেশের মোট ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রাজধানী ঢাকাকেন্দ্রিক।

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের (বিএসসিসিএম) জাতীয় সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করলেও ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধার অধিকাংশই বড় শহরকেন্দ্রিক। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের নবজাতক, অন্তঃসত্ত্বা মা, নিউমোনিয়া বা স্ট্রোকে আক্রান্ত বয়স্ক ব্যক্তি এবং সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীরা সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই এই সংকট প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, সংকট শুধু আইসিইউ শয্যায় সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বিশেষ করে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট, কার্ডিওলজিস্ট ও নিউরোলজিস্ট, দক্ষ নার্স এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামেরও তীব্র ঘাটতি রয়েছে। পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় তাৎক্ষণিক আইসিইউ স্থাপন সম্ভব না হলেও আধুনিক জীবনরক্ষাকারী সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে সংকটাপন্ন রোগীদের দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা যেতে পারে। এজন্য প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

দেশের চিকিৎসকদের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সীমিত অবকাঠামো ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। একটি মৃত্যু যেন কোনো পরিবারকে সর্বস্বান্ত না করে, সে জন্য সমন্বিত উদ্যোগে সারা দেশে নিবিড় পরিচর্যা সেবার পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের প্রতিটি পুরোনো মেডিকেল কলেজে দ্রুত ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কোর্স চালু করা প্রয়োজন। অ্যানেস্থেসিওলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরিপূরক। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সব বিভাগের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে আরও অনেক আইসিইউ প্রয়োজন, এ বিষয়ে সরকারের উপলব্ধি রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০টি জেলায় নতুন আইসিইউ চালু করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও ইউনিট স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে বড় বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হলেও জবাবদিহি ও পেশাগত নৈতিকতা নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। নতুন আইসিইউ স্থাপনের পাশাপাশি সেগুলোর কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব চিকিৎসকদের ওপরই বর্তায়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বিএসসিসিএমের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আরিফ আহসান, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. জাফর ইকবাল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ