1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

পাম্পে পাম্পে ছুটছেন মানুষ, দীর্ঘ লাইনে দুর্ভোগ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৭ ০ বার সংবাদটি পরেছে

স্টাফ রিপোর্টার।। ঝিনাইদহে মোটরসাইকেলের জ্বালানি তেল নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। কোথাও তেল দেওয়ার খবর পেলেই শত শত বাইকার সেখানে ভিড় করছেন। এতে দিন দিন ভোগান্তি বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেল সংকটের গুজবে অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ করছেন। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। পেট্রোলের সংকট বাড়লেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কার্যকর পদক্ষেপ নেই—এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ সুযোগে কিছু পাম্প মালিক ও খুচরা ব্যবসায়ী বেশি দামে তেল বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বুধবার (২৫ মার্চ) ঝিনাইদহ শহরের পাঁচটি পাম্পে কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ১৮ হাজার লিটার তেল বিক্রি হয়েছে, যা সাধারণত ১৫ দিনে বিক্রি হয়।

রোববার ভোরে কালীগঞ্জ শহরের আয়েশা তেল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মোটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সকাল ৬টা থেকে তেল বিক্রি শুরু হয়ে ১০টার মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এতে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ফিরে যান।

বিভিন্ন পাম্পে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হলেও বেশির ভাগ স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ দেখা গেছে। তেল নিতে গিয়ে কোথাও কোথাও হাতাহাতির পরিস্থিতিও তৈরি হচ্ছে। যদিও কিছু পাম্পে পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে, তবে কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাবের অভিযোগ রয়েছে।

মাদরাসাশিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “ভোর ৫টায় লাইনে দাঁড়িয়েছি, চার ঘণ্টা পর তেল পেয়েছি।”

এদিকে খোলা বাজারে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেখানে পাম্পে পেট্রোলের সরকারি মূল্য ১১৬ টাকা, সেখানে খুচরা বাজারে প্রতি লিটার ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মাগুরা থেকে তেল নিতে আসা কৃষক শামীম হোসেন বলেন, “মাগুরায় তেল না পেয়ে আমরা পাঁচজন একটি গাড়ি ভাড়া করে এখানে এসেছি। প্রতিজন পাঁচ লিটার ডিজেল পেয়েছি, কিন্তু আমাদের দৈনিক প্রয়োজন অন্তত আট লিটার।”

ঝিনাইদহ শহরের কালাম ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আশরাফ হোসেন বলেন, “দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আগের পাম্পে তেল পাইনি, এখানে এসেছি—পাব কি না জানি না।”

হামদহ এলাকার আরিফ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মারুফ আহমেদ বলেন, “অনেকে ট্যাংক ভরা থাকা সত্ত্বেও আবার তেল নিতে আসছেন। প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নিলে এমন সংকট হতো না।”

জেলা তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেট্রোল ও অকটেন নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। এতে মানুষ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি তেল সংগ্রহ করছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ মাসউদ বলেন, জেলায় তেলের কোনো সংকট নেই। নিয়মিত সরবরাহ চলছে। কোথাও অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “১ লিটার তেলও কম দেওয়া যাবে না। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জেলা প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ