1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

ডিজেল সংকটে  লাখো জেলে কর্মহীন

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮ ০ বার সংবাদটি পরেছে

নিউজ ডেস্ক // নিজের দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে জেলে রণজিৎ বলেন, ‘নদীতীরের হাটবাজারে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে লিটারপ্রতি ৬০-৭০ টাকা বেশি দামে কিনে নদীতে যাচ্ছে। কিন্তু সেই খরচ তোলা সম্ভব না। 

রণজিৎ বলেন, ‘সাত দিন ধরে নৌকা বন্ধ। পরিবার আর শ্রমিকদের নিয়ে খুব বিপদে আছি। ছেলেমেয়ের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দেওয়া কঠিন হয়ে গেছে।’ রণজিৎ একা নন; একই চিত্র দেশের প্রায় সব নদী ও উপকূলীয় এলাকায়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের মৎস্য খাতে। ডিজেলের সংকটে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার নদী কিংবা সাগরে যেতে পারছে না।

মৎস্যজীবীদের ভাষ্য, এ অবস্থা চলতে থাকলে মাছ ধরা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।

জেলে ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, ইতোমধ্যে নদনদীতে মাছ আহরণ ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে উপকূলীয় মৎস্যবন্দর ও মোকামগুলোতে। অনেক জায়গায় কার্যক্রম প্রায় স্থবির। ফলে শুধু জেলে নয়; আড়তদার, পাইকার, শ্রমিক, বরফকল মালিক, পরিবহনকর্মীসহ পুরো মৎস্যভিত্তিক অর্থনীতি চাপে পড়েছে। এই খাতের ওপর নির্ভরশীল লাখো মানুষের কর্মসংস্থান এখন ঝুঁকির মুখে।

এই সংকটের মধ্যেই সামনে আসছে আরেক বড় চাপ। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হচ্ছে টানা ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। এর লক্ষ্য– মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও প্রজনন নিশ্চিত করা। জেলেরা বলছেন, জ্বালানি সংকটে কাজ বন্ধ, তার ওপর দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা; সব মিলিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায়।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ