1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

এবার ঈদে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে মৃ”ত্যু ২০: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫৮ ০ বার সংবাদটি পরেছে

অনলাইন ডেস্ক // দেশে এবার ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ১৪ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে প্রতিদিন প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২০ জন। এ সময়ে ৩৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৯৮ জন। আহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতাল), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
 
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে নারী ৪৬ জন এবং শিশু ৬৭ জন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারিয়েছে। ১৪৩টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১১৬ জন, যা মোট মৃত্যুর ৩৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ ছাড়া পথচারী নিহত হয়েছেন ৪৭ জন (১৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ) এবং চালক-সহকারী ৩৬ জন (১২ দশমিক ০৮ শতাংশ)।
 
যানবাহনভিত্তিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন ৪১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৫০ জন, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে ২০ জন এবং ট্রাক-পিকআপে ১৩ জন। মোট ৬১৮টি যানবাহন এসব দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিল, যার মধ্যে মোটরসাইকেল ১৫৩টি এবং থ্রি-হুইলার ১৩৮টি
 
সড়কের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে (৪৩ দশমিক ১৬ শতাংশ), এরপর জাতীয় মহাসড়কে ৩০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। শহরের সড়কে ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং গ্রামীণ সড়কে ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
 
দুর্ঘটনার কারণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি (৪০ দশমিক ৭৫ শতাংশ), এরপর মুখোমুখি সংঘর্ষ (২৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ) এবং পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা (১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ)।
 
সময়ভিত্তিক পরিসংখ্যানে সকাল ও দুপুরে দুর্ঘটনার হার বেশি।
 
বিভাগ অনুযায়ী চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ বিভাগে ৯৩ টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ৭৪ জন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলাতেই সর্বোচ্চ ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের ঈদে রাজধানী থেকে ১ কোটির বেশি মানুষ গ্রামে গেছেন এবং সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। দীর্ঘ ছুটি থাকায় চাপ কিছুটা কমলেও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং অনিরাপদ যানবাহন ব্যবহারের কারণে ভোগান্তি বেড়েছে।
 
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার দুর্ঘটনা বেড়েছে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ, তবে প্রাণহানি কমেছে ১২ দশমিক ২৪ শতাংশ। তবে এ হ্রাসকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জ্বালানি সংকটের কারণে মোটরসাইকেলের ব্যবহার কমায় মৃত্যুহার কিছুটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
 
সংস্থাটি সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, অদক্ষ চালক, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং কিশোর-যুবকদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালনাকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে অন্তত তিন বছর মেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এরমধ্যে রেলপথ সম্প্রসারণ, নৌপরিবহন উন্নয়ন, বিআরটিসির বাস বাড়ানো, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং মহাসড়কে আলাদা সার্ভিস রোড নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়।
 
সংগঠনটির তথ্যানুসারে, সমন্বিত নীতি, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে ভবিষ্যতে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ