
অভিযুক্ত লিটন পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২ মে ফারুক হাওলাদার বাসায় না থাকার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ঝালাই কাটার মিস্ত্রি এনে তাঁর ঘরের স্টিলের দরজা কেটে নিয়ে যায়। এ সময় ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের বেঁধে রাখা হয়। তাঁর ঘরে জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকাও তাঁরা নিয়ে গেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিসিটিভির ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জহিরুল ইসলাম লিটন কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাঁকে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মিস্ত্রিকে নির্দেশনা দিতে চোখে পড়ে। একপর্যায়ে তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে কিছু সময় পর বের হয়ে যান। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন দরজা কেটে নিয়ে যান।
ফারুক হাওলাদার বলেন, ‘আমি বাসায় না থাকার সুযোগে তারা দরজা কেটে নিয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে থাকা আমার মেয়েদের বেঁধে রাখা হয়েছিল। এ সময় ঘরে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নিয়েও গেছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ তিনি জানান, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে জমি নিয়ে তাঁর অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছে এবং এ বিষয়ে আদালতে মামলাও বিচারাধীন।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে জহিরুল ইসলাম লিটন বলেন, ‘আমার চাচার (ফারুক হাওলাদার) সঙ্গে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। আমি বিষয়টি দেখতে গিয়েছিলাম। দরজা কেটে নেওয়ার ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোহন বলেন, ‘বিষয়টি আমি পুরোপুরি জানি না। প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধ বলে জেনেছেন। এভাবে দরজা খুলে নেওয়া ঠিক হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ দোষী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিসিটিভি ফুটেজসহ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply