
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ১১টার দিকে সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের উত্তর পাশের বাজারগোনা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের বোন রাহিমা বেগম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বাবা ও চাচাতো ভাইয়েরা রিপন কাজীর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নিহতের ভাই রাব্বি কাজী বলেন, পারিবারিক জমিজমা বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডে তার বাবা মিজানুর কাজীরও সম্পৃক্ততা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী জানান, তারা মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে রক্ষা পেলেও রিপন কাজী হামলার শিকার হন।
স্বজনদের দাবি, এ ঘটনায় মিজানুর কাজী, রিফাত কাজী, রাসেল কাজী, মনির কাজী ও সোহাগ কাজী সরাসরি জড়িত।
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাকিবুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রিপন কাজীর মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মরদেহ পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলায়। ঘটনাটি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারসংলগ্ন বাজারগোনা এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply