মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে রোববার (৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার গোপালগঞ্জ পাঁচমাইল এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন, হাসিন ইসরাক মিম, আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম, সাজেদুল মিনহাজ এবং মোহাম্মদ হৃদয়।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার খোশালপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদকে তুলে নেয়ার পর তার ছেলে মো. মামুন কোতোয়ালী থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে শহরের গোর-এ-শহীদ বড় মাঠ থেকে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে থানায় নেয়ার সময় আসামিদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আব্দুস সামাদকে অবৈধভাবে অপহরণ করে মারধর করা হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ ঘটনায় অপহৃতের ছেলে মামুন বাদী হয়ে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা রুজু করলে গ্রেফতার পাঁচ আসামিকেই আদালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরনবী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম জানান, সোমবার (৬ জুলাই) রাত থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে পুলিশি নিরাপত্তায় আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরও জানান, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জমি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনে বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Leave a Reply