1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

কাবা দেখলে কি হজ ফরজ হয়ে যায়?

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৯৭ ০ বার সংবাদটি পরেছে

নিউজ ডেস্ক //  প্রতি বছর লাখ লাখ মুসল্লি মক্কায় যান প্রভুর দরবারে লাব্বাইক বলতে। কালো গিলাফে জড়ানো কাবাকে এক নজর দেখতে। যেখানে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসেছিলেন, তওয়াফ ও সায়ি করেছিলেন; আরাফাতের ময়দানে ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন, দোয়া কবুলের জায়গাগুলোতে দোয়া করেছিলেন। সেই স্মৃতিবিজড়িত জায়গাগুলোতে গিয়ে হজ করতে চান রসুলপ্রেমী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

অনেকে জানতে চান, কাবা দেখলে কি হজ ফরজ হয়ে যায়?

এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, কাবা দেখা বা ওমরাহ করার দ্বারা হজ ফরজ হয়ে যাওয়ার প্রশ্নোক্ত কথাটি সহিহ নয়। হজ ফরজ হওয়ার সাথে কাবা দেখা বা উমরাহ করার কোনো সম্পর্ক নেই। সামর্থ্যবান ব্যক্তির উপরই কেবল হজ ফরজ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন-
 وَلِلهِ عَلَی النَّاسِ حِجُّ الْبَیْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ اِلَیْهِ سَبِیْلًا

 

অর্থ: মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বাইতুল্লাহ) পৌঁছার সামর্থ্য রাখে তাদের উপর আল্লাহর উদ্দেশ্যে এ গৃহের হজ করা ফরজ। (সূরা আলে ইমরান : ৯৭)
 
সামর্থ্য দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হজের মৌসুমে কারো কাছে প্রয়োজন অতিরিক্ত এ পরিমাণ সম্পত্তি থাকা, যার দ্বারা যানবাহনে করে সে মক্কায় আসা-যাওয়া করতে পারে এবং যাদের ভরণ-পোষণ তার জিম্মায় রয়েছে হজ থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত তাদের খরচ নির্বাহ করতে সক্ষম হয়। এমনিভাবে বর্তমানে ভিসা ও হজ আদায়ের অনুমতিও আইনীভাবে হজের সামর্থ্যরে অন্তর্ভুক্ত। আগের যুগে যেহেতু ভিসার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল না, তাই হজের মাসসমূহে কেউ উমরাহ করতে মক্কায় পৌঁছে গেলে বাকি দিনগুলো সেখানে অবস্থান করত হজ আদায় করতে কোনো আইনি বাধা ছিল না। এজন্য ফুকাহায়ে কেরাম এমন ব্যক্তিকে সামর্থ্যবান গণ্য করে তার উপর হজ ফরজ হওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু বর্তমানে যেহেতু উমরার ভিসা দ্বারা হজ করা বা হজ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থান করার সুযোগ নেই, সেজন্য এখন হজের মৌসুমেও উমরা করার দ্বারা হজ ফরজ হবে না।(আল-মাসালিক ফিল মানাসিক ১/২৫৭; যুবদাতুল মানাসিক, পৃ. ২১)

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ