1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

নবজাতক বিক্রি করে সিজারের টাকা পরিশোধ করতে চাপ দিলেন চিকিৎসক

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮২ ০ বার সংবাদটি পরেছে

অনলাইন ডেস্ক।। নীলফামারী ডোমার উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারের পর বিল পরিশোধ করতে না পারায় নবজাতক বিক্রির জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) উপজেলার “মমতা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার”-এর চিকিৎসক ও ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা আফরিনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, উপজেলার দক্ষিণ গোমনাতি এলাকার কৃষক রাকিবুল হাসানের স্ত্রী হাবিবা সুলতানা গত শুক্রবার রাতে প্রসব বেদনা নিয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হন। সেখানে তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়। রোববার রিলিজ নেওয়ার সময় নির্ধারিত, বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

রাকিবুল ও হাবিবার দাবি, ভর্তির সময় ২২ হাজার টাকা খরচ হবে বলে জানানো হলেও পরে অর্থ জোগাড় করতে না পারায় তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং রোগীর ওষুধ দেওয়া বন্ধ রাখা হয়। একপর্যায়ে নবজাতক সন্তান বিক্রি করে বিল পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

তাদের ভাষ্য, গত দুই দিন ধরে কয়েকজন ব্যক্তি ক্লিনিকে এসে নবজাতক কিনতে আগ্রহ দেখান। কেউ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব দেন। পরিকল্পনা ছিল, ওই টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা রেখে বাকি অর্থ পরিবারকে দিয়ে শিশুটি হস্তান্তর করা হবে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. ফারজানা বলেন, নবজাতক বিক্রির কথা বলা হয়নি; কেবল বিল পরিশোধের জন্য বলা হয়েছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে মেডিকেল অফিসার ডা. সোহান চৌধুরী জানান, নবজাতক বিক্রির অভিযোগসহ একাধিক অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা, জনবলের ঘাটতি ও দায়িত্বরত চিকিৎসক না থাকার মতো বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়েছে।

এছাড়াও ওই চিকিৎসককে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ