1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছয় মাসেই ৮৪ বার দাম সমন্বয়, কোন দিকে স্বর্ণের বাজার?

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৭৬ ০ বার সংবাদটি পরেছে
  • জানুয়ারি-জুন

বাণিজ্য ডেস্ক।। চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থির স্বর্ণের বাজার। যার প্রভাবে প্রথম ছয় মাসেই দাম সমন্বয় হয়েছে ৮৪ বার।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বলছে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে দেশের বাজারে ৪১ বার বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম, কমেছে ৪২ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত বছরের একই সময়ের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র ৪০ বার।

চলতি বছর শুরু হয়েছিল স্বর্ণের দাম পতানের মধ্য দিয়ে। ১ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। সেই মাসে মোট ১৯ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে দাম বেড়েছিল ১৪ বার; আর কমেছিল মাত্র ৫ বার।

এর মধ্যে ৪ ও ৫ জানুয়ারি টানা ২ দফা বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এরপর ৮ জানুয়ারি দাম কমিয়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। তবে এরপরই স্বর্ণের বাজারে দেখা দেয় টানা উত্থান।  ১০, ১২, ১৪, ১৯, ২০ ও ২১ জানুয়ারি টানা ৬ দফা বাড়ানো হয় দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম গিয়ে ঠেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা। এর মধ্যে ১২, ১৪, ১৯, ২০ ও ২১ দাম বেড়ে প্রতিবারই দেশে সর্বোচ্চে পৌঁছায়।

গত ২২ জানুয়ারি ভরিতে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। তারপর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে গত ২৩ জানুয়ারি ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের দাম দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ফের ২৫, ২৬, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি টানা বাড়ানো হয় মূল্যবান এই ধাতুর দাম। প্রতিবারই তৈরি হয় নতুন রেকর্ড। গত ২৯ জানুয়ারি রেকর্ড ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা।

এরপরই ঘটে ছন্দপতন। গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি টানা ২ দফায় মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস। টানা দুই দিনে যথাক্রমে ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা ও ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমানো হয়। এতে দুই দিনে মোট ৩০ হাজার ৩৮৪ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকায়।

তবে ৩১ জানুয়ারি সকালে দাম কমানোর ১২ ঘণ্টা পার না হতেই ফের দেশের বাজারে বাড়ানো হয় মূল্যবান এই ধাতুর দাম। ভরিতল ৪ হাজার ৮২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা।

ফেব্রুয়ারি মাসজুড়েও চলেছে স্বর্ণের উত্থান-পতন। এই মাসে মূল্যবান এই ধাতুর দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৫ বার। যেখানে বেড়েছে ৮ বার, আর কমেছে ৭ বার। মার্চ মাসে দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৬ বার। যেখানে বেড়েছে ৭ বার, আর কমেছে ৯ বার।

গত এপ্রিল মাসে মূল্যবান এই ধাতুর দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১০ বার। যেখানে বেড়েছে ৪ বার;  আর কমেছে ৬ বার। এরপর মে মাসে দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৯ বার; যেখানে বেড়েছে ৪ বার, আর কমেছে ৫ বার।

চলতি জুন মাসে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১৫ বার; যেখানে বাড়ানো হয়েছে ৪ দাম, কমেছে ১০ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

সবশেষ ৩০ জুন সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
কেন এই অস্থিরতা?​বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে দাম ওঠা-নামা করলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। তাই দেশেও দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন পড়ে।

সম্প্রতি বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান বলেন, স্বর্ণের বাজারের অস্থিরতার জন্য বাজুস বা বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়। মূলত বিদেশে স্টক করা বা কাগজে কলমে লেনদেনের কারণে এই ওঠা-নামা ঘটছে। বাজুস শুধু দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করে।

তিনি আরও বলেন, দাম সমন্বয়ের মূল উদ্দেশ হলো পাচার রোধ করা এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষতি না হওয়া। যদি দাম সমন্বয় না করা হয়, দেশে দাম কম থাকলে স্বর্ণ পাচার হয়ে যাবে। তাই বিশ্ববাজারে ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারেরও দাম সমন্বয় করা হয়।
বাজুস সভাপতি জানিয়েছেন, বর্তমানে মানুষ স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে গ্রহণ করছে। তবে পৃথিবীর বাজারে বিক্রিত স্বর্ণের অনেকাংশই কাগজে কলমের মাধ্যমে (পেপার ট্রেডিং) মজুত করা হয়। বাস্তবে কতটা ফিজিক্যাল স্বর্ণ রয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ