প্রিয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত ইরান। চলছে নানা আয়োজন। রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় টাঙানো হয়েছে বিশাল প্রতিকৃতি, রং করা এবং মঞ্চ নির্মাণের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা। আয়োজকদের ধারণা, ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষ এতে অংশ নিতে পারেন।
অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে জনগণকে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাপপ্রবাহের কারণে পর্যাপ্ত পানি পানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধিদের জন্য পৃথক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য, প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিতে পারেন। ইরাক, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের তেহরানে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইউরোপীয় দেশগুলোকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জানাজা কেন্দ্র করে তেহরান, কোম ও মাশহাদে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ অফিস বন্ধ থাকবে এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। তেহরানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শেষে মরদেহ ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় মারা যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়।
Leave a Reply