1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে ফিফার ব্যাখ্যা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬১ ০ বার সংবাদটি পরেছে

ক্রীড়া ডেস্ক।। পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলে থাকা সেন্সর প্রযুক্তির কারণেই ইগর মাতানোভিচের সূক্ষ্ম স্পর্শ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই স্পর্শের মুহূর্তেই মারিও পাসালিচ অফসাইডে থাকায় ইয়োসকো ভার্দিওলের গোলটি বাতিল করা হয়।

ম্যাচের যোগ করা সময়ের শেষদিকে ক্রোয়েশিয়া সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করেছিল। ইভান পেরিসিচ বক্সে বল ভাসিয়ে দিলে সেটি রেনাতো ভেইগার গায়ে লেগে মাতানোভিচকে স্পর্শ করে পাসালিচের কাছে যায়। এরপর পাসালিচের বাড়ানো বল জালে পাঠান ভার্দিওল। শুরুতে নরওয়ের রেফারি এসপেন এসকাস গোলের স্বীকৃতি দেওয়ায় উল্লাসে মেতে ওঠেন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা।

কিন্তু ভিএআরের পর্যালোচনার পর বদলে যায় সিদ্ধান্ত। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা বলে স্থাপিত সেন্সর মাতানোভিচের প্রায় চোখে না-দেখা স্পর্শটি শনাক্ত করে। টেলিভিশন সম্প্রচারে দেখানো গ্রাফেও সেই মুহূর্তে একটি ক্ষুদ্র স্পাইক দেখা যায়, যা বলের সঙ্গে তাঁর সংস্পর্শের প্রমাণ পাওয়া যায়।

স্পর্শ নিশ্চিত হওয়ার পর সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি খেলোয়াড়দের অবস্থানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখে, মাতানোভিচ বল স্পর্শ করার সময় পাসালিচ পর্তুগালের রক্ষণভাগের শেষ খেলোয়াড়ের সামনে ছিলেন। ফলে অফসাইডের সিদ্ধান্ত আসে এবং ভিএআর ও মাঠের রেফারি যৌথভাবে গোলটি বাতিল করেন।

ফিফা জানিয়েছে, কানেক্টেড বল টেকনোলজি নামে পরিচিত এই প্রযুক্তি অ্যাডিডাস ও কিনেক্সনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি। বলের ভেতরে থাকা মোশন সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে শত শত তথ্য সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ক্ষুদ্রতম স্পর্শও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এর কার্যপ্রণালি অনেকটা ক্রিকেটে ব্যবহৃত স্নিকোমিটারের মতো, যা ব্যাট ও বলের অতি সূক্ষ্ম সংস্পর্শও শনাক্ত করতে পারে।

গোল বাতিলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলাররা। দলের প্রধান কোচ জ্লাতকো দালিচ রেফারিংয়ের সমালোচনা করে বলেন, ‘ভিএআর ফুটবলের আবেগকে হত্যা করে।’

অন্যদিকে পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতিতে সব ধরনের সন্দেহ দূর করতেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।’

ফিফার এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে ম্যাচটির সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হলো। সংস্থাটি মনে করছে, বলের সেন্সর, সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি এবং ভিএআরের সমন্বিত ব্যবহারের ফলে সঠিক সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ