মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস।
ডা. শংকর আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের নির্ধারিত ‘হাম কর্নার’ এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
এদিকে, সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তির মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে পজিটিভ আছে একজন। সন্দেহে মারা গেছে ২৯ জন। এ ২৯ জনের টেস্ট করেও হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।’
আক্রান্তদের নির্ধারিত কর্নার ও সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান বলেন, ‘দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে (রোগীদের) আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে। যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।’
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১২০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ২৫০০ থেকে ৩৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।










Leave a Reply