1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০২ ০ বার সংবাদটি পরেছে

রাজশাহী প্রতিনিধি।।রাজশাহী অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্বেগের বিষয়, আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশেরই বয়স ৬ মাসের নিচে। বিভাগের সবচেয়ে বড় সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়াও ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস।

ডা. শংকর আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের নির্ধারিত ‘হাম কর্নার’ এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

এদিকে, সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তির মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে পজিটিভ আছে একজন। সন্দেহে মারা গেছে ২৯ জন। এ ২৯ জনের টেস্ট করেও হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।’

আক্রান্তদের নির্ধারিত কর্নার ও সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান বলেন, ‘দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে (রোগীদের) আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে। যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।’

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১২০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ২৫০০ থেকে ৩৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ