1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দিন দিন বাড়ছে নগর, কমছে গৃহকর আদায়

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১৫২ ০ বার সংবাদটি পরেছে
  • প্রধান কর নির্ধারক ৪ তলা ভবনের গৃহকর দিচ্ছেন ৪০০ টাকা।

  • তিন বছর ধরে কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি বিসিসি।

  • ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গৃহকরের লক্ষ্যমাত্রা ৬১ কোটি, মার্চ পর্যন্ত আদায় ৩২ কোটি।

  • চলতি অর্থবছরেও কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না সিটি করপোরেশনের।

বিসিসির কর ধার্য শাখার তথ্যমতে, নগরীতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হোল্ডিং সংখ্যা ছিল ৫৬ হাজার ২০৭টি। ওই অর্থবছরে গৃহকরের চাহিদা ছিল ৫৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আদায় হয় মাত্র ৩৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হোল্ডিং সংখ্যা ছিল ৫৬ হাজার ৭৮৫টি। ওই অর্থবছরে গৃহকরের চাহিদা ছিল ৫৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আদায় হয়েছে মাত্র ৪১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নগরে হোল্ডিং সংখ্যা ৫৭ হাজার ৬০৯টি। এ অর্থবছরে গৃহকরের চাহিদা ৬১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এ অর্থবছরে মার্চ পর্যন্ত আদায় হয়েছে মাত্র ৩২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরেও কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নামমাত্র কর দিয়ে অনেকে পার পেয়ে যাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। নথি সূত্রে জানা যায়, নগরীর নবগ্রাম রোড করিম কুটির মসজিদ লেনে ১১২৫ নম্বর হোল্ডিংয়ে ১০ তলা ভবনের নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে দুই বছর আগে। এ ভবনে এখনো প্ল্যান পাসের সময়ে ধার্য করা ৭ হাজার ৫৬০ টাকা করই নেওয়া হচ্ছে।

করপোরেশনের কর্মকর্তারাও দিচ্ছেন করফাঁকি। সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান কর নির্ধারক নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন ৪ তলা ভবন রয়েছে। তিনি ওই ভবনের জন্য গৃহকর দিচ্ছেন মাত্র ৪০০ টাকা।

নগরের দক্ষিণ জাগুয়ায় প্রাণ-আরএফএল ডোর ভবনের (হোল্ডিং নম্বর ২২০০) ২০১৭-১৮ অর্থবছরে স্থাপনা ছিল অ্যাঙ্গেল স্ট্রাকচার। প্রায় ২৩ হাজার স্কয়ার ফুটের এই স্থাপনার ওপর করপোরেশনের কর ধার্য শাখা ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত কর ধার্য করে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা। তবে গত বছর চূড়ান্তভাবে কর ধার্য করা হয় ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

এদিকে ২০২৪ সালের ২৩ জুন রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ওষুধ কোম্পানি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালের (হোল্ডিং নাম্বার ৭২৯) চূড়ান্ত কর ধার্য হয়েছিল ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তবে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ওই স্থাপনার ওপর কর ধার্য হয়েছিল মাত্র ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

প্রাণ ডেইরির একটি ভবনের (হোল্ডিং নং ২২০১) ২০১৮ সালে চূড়ান্ত কর ধার্য করা হয়েছিল ৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ২০২৫ সালে তা হয়ে যায় ২ লাখ ২১ হাজার টাকা।

এই কর কমানো প্রসঙ্গে বিসিসির প্রধান কর কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ২২০০ ও ২২০১ নম্বর হোল্ডিংয়ে সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ একতরফাভাবে উচ্চ কর ধার্য করেছিলেন। ওই প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কর কমানো হয়।

স্থানীয় সরকার আইনে সিটি ও পৌর করসংক্রান্ত আইন এবং উপবিধি-৮ অনুযায়ী ধার্য কর এ হোল্ডিংধারী সংক্ষুব্ধ হলে আদেশপ্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে অ্যাসেসমেন্ট রিভিউ বোর্ড কর্তৃক ধার্য করের ৭৫ ভাগ পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আপিল করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনারের আদেশ চূড়ান্ত আদেশ বলে গণ্য হবে। তবে এ বিধানের তোয়াক্কা না করে নগরের গৃহকর দেদার কমানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, কীভাবে কর কমানো হলো তা খতিয়ে দেখা হবে। নিশ্চয়ই কোনো ঝামেলা আছে।

প্রধান কর কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের ৪ তলা ভবনের কর মাত্র ৪০০ টাকা শুনে বিস্মিত হন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী। তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, করপোরেশনের একটার পর একটা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কর শাখা নিয়ে বসবেন। হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে যত আবেদন পড়েছে অসামাঞ্জস্য থাকলে তা ঠিক করা হবে।

প্রশাসক শিরীন বলেন, কী করে অস্বাভাবিক হারে কর কমানো হলো তা অবশ্যই দেখবেন। বিষয়টি তাঁর নলেজে নেই। কিন্তু করপোরেশনের কোনো স্টাফ যদি কর কমানোর নামে রাজস্ব হারায়, তাহলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ