1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

শিক্ষার্থী শাওন হত্যার ১৯ বছর পর ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১৮ ০ বার সংবাদটি পরেছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো // চট্টগ্রামে ১৯ বছর আগে শিক্ষার্থী ফসিউর রহমান শাওনকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আককাস এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- বেলাল হোসেন, জাকির হোসেন, শহীদ রাজা, আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল। রায়ে তাঁদের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম তিনজন কারাগারে থাকলেও আল আমিন গাজী ও মো. সোহেল বর্তমানে পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম নগরে ‘মলম পার্টি’ ও ‘গামছা পার্টি’র ব্যাপক দৌরাত্ম্য ছিল। এই চক্রটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বা যাত্রী সেজে সাধারণ মানুষকে তুলত। এরপর গামছা দিয়ে হাত-পা ও গলা পেঁচিয়ে সর্বস্ব লুট করে ভুক্তভোগীকে হত্যা করে ফেলে যেত। আলোচিত এই মামলার ভুক্তভোগী ফসিউর রহমান শাওনও সেই চক্রের শিকার হয়েছিলেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী বলেন, ‘তৎকালীন সময়ে ১০০ বা ৫০০ টাকার জন্য এই চক্রটি মানুষকে হত্যা করত। শিক্ষার্থী শাওন কোচিংয়ে যাওয়ার সময় তাদের কবলে পড়েন। তাঁর কাছে কোনো টাকা-পয়সা না পেয়েও ছিনতাইকারীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই মামলায় মোট ১৫ জন আসামির মধ্যে ৭ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।’

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকেলে ফসিউর রহমান শাওন নগরের জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামক একটি কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। এরপর তিনি নিখোঁজ হন। ওই দিন রাতেই নগরের বাদশা মিয়া সড়কে তাঁর গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় সেই সময় নগরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত অপর ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রাকিব উদ্দিন জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, একই চক্রের হাতে সে সময় আইনজীবী দীন মোহাম্মদসহ আরও বেশ কয়েকজন খুনের শিকার হয়েছিলেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। পরে চক্রের সদস্যরা গ্রেফতার হলে এসব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ