1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

বরিশালে হাজারের ওপর রেস্তোরাঁ, নিরাপদ খাদ্যর তালিকায় মাত্র ৩২টি!

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১১ ০ বার সংবাদটি পরেছে

অনলাইন ডেস্ক // বরিশাল নগরীতে যত্রতত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে একের পর এক রেস্তোরাঁ। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগই চলছে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তালিকায় মাত্র ৩২টি প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও বাস্তবে নগরীতে রেস্তোরাঁর সংখ্যা হাজারের ওপরে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই কাঁচঘেরা বহুতল ভবনে গড়ে ওঠা এসব রেস্তোরাঁ এখন একেকটি ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর সদর রোডের বহুতল ইমান আলী টাওয়ারের ৯ম ও ১০ম তলায় অবস্থিত স্টার কাবাব ও স্কাই লাউঞ্জ। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের বিশাল এই রেস্তোরাঁ দুটিতে ক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে মাত্র তিনটি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। ট্রেড লাইসেন্স আর কর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ ছাড়া নেই অন্য কোনো বৈধ কাগজপত্র। এমনকি ‘স্কাই লাউঞ্জ’-এর নামে নথিপত্র থাকলেও সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে ‘স্টার কাবাব’-এর।


এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে আবেদন করা হয়েছে।’

একই চিত্র দেখা গেছে শহরের নামী রেস্তোরাঁ ‘হান্ডি কড়াই’তে। রুফটপে যাওয়ার পথটি মাত্র দুই ফুট চওড়া, যা জরুরি অবস্থায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া রান্নাঘরের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিজাত হিসেবে পরিচিত এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেরই নেই নিরাপদ খাদ্য সনদ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা পরিবেশ দপ্তরের ছাড়পত্র।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) নথি অনুযায়ী নিবন্ধিত রেস্তোরাঁ ৫৫৫টি থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা এক হাজারের বেশি। অথচ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গ্রেডিংয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মাত্র ৩২টি প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, বরিশাল জেলা ও মহানগরীর সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু আক্ষেপ করে বলেন, ‘আগে সবকিছু একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হতো। এখন অনেক মালিকই কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না।’

বরিশাল জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা গোলাম রাব্বি জানান, ‘বর্তমানে ৩২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের গ্রেডিংয়ের আওতায় আছে। বাকিগুলোতে পর্যায়ক্রমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন জানান, নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ ও নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই বড় ধরনের অভিযানে নামবেন তারা।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ