1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
বসতভিটা দখলের বিরোধে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ কুয়াকাটায় বিএসএসএফের বর্ষপূর্তি, সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও সম্মাননা গ্রিন কার্ডের স্পনসরশিপ: একটি স্বাক্ষরের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বরিশাল জাতীয়তাবাদী ক্রীড়াদলের সদস্য সচিব মঈনুদ্দীন রুবেল কাউনিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের তালা ভেঙে মালামাল লুটের অভিযোগ নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ

অনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করল শিক্ষার্থীরা, উদ্ধার করলেন ইউএনও

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ১৬৪ ০ বার সংবাদটি পরেছে
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ।। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে টিফিন, দরিদ্র, স্কাউটসহ বিভিন্ন ফান্ডের প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একটি সরকারি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হিসাব চাইতে গিয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে শিক্ষার্থীরা তাঁকে নিজ অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা শান্ত হয়।

অভিযুক্ত মো. তাজুল ইসলাম সুন্দরগঞ্জ আব্দুল মজিদ সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের কক্ষে রাত্রিযাপন করেও বাড়িভাড়ার সরকারি অর্থ উত্তোলনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. চঞ্চল সৈকত বলেন, ‘আমাদের হেড স্যার স্কাউট ফান্ড, দরিদ্র ফান্ড ও টিফিন ফান্ডসহ বিভিন্ন খাতের প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সেই টাকার হিসাব চাইতেই আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এটি সরকারি স্কুল। এখানে বিভিন্ন ধরনের সরকারি অনুদান আসে। কিন্তু তিনি কোনো হিসাব দিতে পারছেন না। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, ‘যখন ওনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন রিজার্ভ ফান্ডে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা ছিল। এরপরে ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছি আমরা শ্রেণি শিক্ষকেরা। সরকারিভাবে অনুদান এসেছে চার লক্ষ টাকা। এরপরও উনি টিফিন ফান্ডে দেড় লক্ষ টাকা বাকি রেখেছেন। এটা হওয়ার কথা নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘খেলাধুলা ফান্ডে ২৮ হাজার টাকা এসেছে। উনি ২৮টা বলও কিনেন নাই। কৃষি ফান্ডে বাগানের টাকা এসেছে। উনি বাগানও করেন নাই। ম্যাগাজিনের টাকা এসেছে। অথবা উনি ম্যাগাজিনও পাবলিস্ট করেননি। এ ছাড়া তিনি বাড়িভাড়া বাবদ সরকারি টাকা উত্তোলন করেন। অথচ বাসা ভাড়া না নিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের কক্ষে রাত্রিযাপন করেন। এ ছাড়া নানা অনিয়ম রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বিষয়টি তদন্ত কমিটি গঠন করে যাচাই করা হোক। আমি দোষী প্রমাণিত হলে যে শাস্তি দেওয়া হবে, তা-ই মেনে নেব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা বিদ্যালয়ে যাই। পরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয়ের কক্ষে না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ