1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910

“খরচাপাতি না দিলে মামলায় প্যাচকি বাজাইয়া দিমু , ডাইরেক্ট বললাম”

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ১১ ০ বার সংবাদটি পরেছে
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
রাতুল মণ্ডল, শ্রীপুর // খরচাপাতি দিলে মামলা হালকাপাতলা করুম। না হইলে কিন্তু প্যাচকি (ঝামেলা) বাজাইয়া দিমু। এটা আমি ডাইরেক্ট বললাম। যোগাযোগ করলে মামলা কোর্টে গেলে শেষ হয়ে যাবে। আমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে বলো। একটু পরে আমি তোমাদের এলাকায় আসছি। এমন কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজীপুরের শ্রীপুর থানা-পুলিশের এক কর্মকর্তাকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শ্রীপুর থানা-পুলিশের এক সদস্যের ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের ওই অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কাশিজুলী গ্রামের মো. হযরত আলী গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মানহানি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম। মামলায় মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার ৩ নম্বর আসামি জাকির মোড়লের সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তাজুল ইসলামের ফোনালাপের একটি অডিও সম্প্রতি ফাঁস হয়।

অভিযুক্ত জাকির মোড়লের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় দারোগা তাজুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘তাদের যোগাযোগ করতে বলো। খরচাপাতি দিলে হালকাপাতলা করুম।’ এ সময় আঞ্চলিক ভাষায় বলতে শোনা যায় যোগাযোগ না করলে কিন্তু (প্যাচকি) বাজাইয়া দেব। এ সময় অভিযুক্ত জাকির মোড়ল বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘ভাই জালাল, বারেক ওঁদের কাছে তো আপনার নাম্বার আছেই। তাঁদের বলবো যোগাযোগ করতে।’ এ সময় দারোগা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ‘তুমিও যোগাযোগ করো। তুমিও কিছু করো।’ এ সময় অভিযুক্ত জাকির মোড়ল বলেন, ‘ভাই, আপনি তো তদন্ত করে দেখছেন, এখানে আমার কোনো দোষ নেই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই মো. তাজুল ইসলাম দাবি করেন, অডিওটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আসামির সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করিনি।’

তবে এক সাংবাদিককে টাকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘দুপুরে খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিতে চেয়েছিলাম।’

এ ঘটনায় গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ