1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এসি ছাড়াই ঘর থাকবে ঠান্ডা! জেনে নিন পাঁচটি বৈজ্ঞানিক ও সহজ কৌশল

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ২০৯ ০ বার সংবাদটি পরেছে

নিউজ ডেস্ক ।। মাঝে মধ্যে দু’একদিন হঠাৎ বৃষ্টিতে একটু স্বস্তি মিললেও মে মাসের তীব্র গরমে ওষ্ঠাগত ঢাকাবাসীর জীবন। ঘরে-বাইরে কোথাও যেন স্বস্তি নেই। এই অসহ্য গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার চটজলদি সমাধান হিসেবে অনেকেই এয়ার কন্ডিশনার বা এসি ব্যবহার করছেন। তবে সবার পক্ষে যেমন এসি কেনা সম্ভব নয়, তেমনি এসি ব্যবহারের পর মাস শেষে আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিল মধ্যবিত্তের কপালে ফেলছে চিন্তার ভাঁজ। এর মধ্যবর্তী অবস্থানে কিছু সহজ এবং বৈজ্ঞানিক কৌশল খাটিয়ে এসি ছাড়াই আপনার ঘরকে তুলনামূলক অনেক বেশি ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেয়া যাক কৌশলগুলো।

ঘরে এসি নেই তো কী হয়েছে? আপনার সাধারণ টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানটিকেই বানিয়ে নিতে পারেন এসি। একটি গভীর পাত্রে বা বাটিতে বেশ কিছু বরফের টুকরো নিন। এবার বাটিটি ফ্যানের ঠিক সামনে (যেদিক থেকে বাতাস বের হয়) রাখুন। ফ্যানের বাতাস যখন বরফের ওপর দিয়ে আপনার দিকে আসবে, তখন ঘরের ভেতরের গরম বাতাস নিমেষেই ঠান্ডা হয়ে যাবে। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘ইভাপোরেটিভ কুলিং’

২. দিনের বেলা জানালা বন্ধ, রাতে খোলা

আমাদের অনেকেরই ধারণা, সারাদিন জানালা খোলা রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকে। কিন্তু গরমের দিনে ঘটে উল্টো। সকাল ১০টার পর থেকে রোদের তেজ বাড়ার সাথে সাথে বাইরের বাতাসও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাই দুপুরের তপ্ত বাতাস যেন ঘরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য দুপুরের দিকে জানালা ও ভারী পর্দা বন্ধ রাখুন। আবার সূর্য ডোবার পর যখন বাইরের আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা হয়, তখন ঘরের সব জানালা খুলে দিন, যাতে ভেতরের জমে থাকা গরম বাতাস (Cross Ventilation) সহজে বেরিয়ে যেতে পারে।
 

৩. এক্সহস্ট ফ্যান (Exhaust Fan) ও সিলিং ফ্যানের সঠিক ব্যবহার

রান্নাঘর বা বাথরুমের এক্সহস্ট ফ্যান শুধু ধোঁয়া বা দুর্গন্ধই দূর করে না, ঘরের ভেতরের বন্দি গরম বাতাস টেনে বাইরে বের করার ক্ষেত্রেও দারুণ কার্যকরী। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে এক্সহস্ট ফ্যানটি চালু করে দিলে ঘরের ভেতরের ভ্যাপসা গরম দ্রুত কমে যায়। এছাড়া খেয়াল রাখুন আপনার সিলিং ফ্যানটি যেন ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে (Counter-Clockwise) ঘোরে, যা গরম বাতাসকে ওপরের দিকে টেনে নিয়ে নিচে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে দেয়।
 

৪. ইনক্যান্ডিসেন্ট বাল্ব বিদায় করুন

আপনার ঘরে কি এখনো পুরোনো আমলের হলুদ আলো ছড়ানো গোল বাল্ব (Incandescent Bulb) জ্বলছে? উত্তর হ্যাঁ হলে, আজই সেগুলো বদলে এলইডি (LED) বাল্ব লাগান। এই পুরোনো বাল্বগুলো আলোর চেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন করে, যা ঘরের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে এলইডি বাল্ব ঘরকে গরম না করেই পর্যাপ্ত আলো দেয় এবং বিদ্যুৎ বিলও বাঁচায়।
 

৫. ঘরের মেঝেতে পানির ব্যবহার ও ইনডোর প্ল্যান্টস

বিকেলের দিকে ঘরের মেঝে ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে মুছে নিতে পারেন। পানির বাষ্পীভবনের কারণে ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমে আসে। এছাড়া ঘরে ইনডোর প্ল্যান্টস বা গাছ (যেমন- স্নেক প্ল্যান্ট, মানি প্ল্যান্ট বা অ্যালোভেরা) রাখতে পারেন। গাছ প্রস্বেদন (Transpiration) প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে অতিরিক্ত তাপ শুষে নেয় এবং ঘরের আর্দ্রতা বজায় রেখে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখে।
 
যান্ত্রিক প্রযুক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে এই ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায়গুলো মেনে চললে তীব্র গরমেও আপনার ঘর থাকবে স্বস্তিদায়ক, আপনি পেতে পারেন প্রাকিৃতিক ঠান্ডা অনুভুতি, সেই সাথে বাড়তি খরচেও মিলবে কিছুটা স্বস্তি।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ