1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :
নলছিটি বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিরাজ হাসান প্রিন্স রাষ্ট্রীয় শোকের দিন বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে উড়েনি জাতীয় পতাকা কিছুটা বেড়েছে ফার্মের মুরগির দাম জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে রংপুরে কফিন মিছিল বন্যায় মানুষ কষ্ট করছে আর মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণ করছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ, বললেন—ফিজিকস পরীক্ষা আবারও নেওয়া হবে সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ বন্যা-পাহাড় ধস: সাত জেলায় প্রাণহানি ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টানা ৩০ দিন শর্করা কম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন দেখা যায়

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫৪ ০ বার সংবাদটি পরেছে
ফিচার ডেস্ক // আমাদের সারা দিনের খাদ্যতালিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে, সকাল থেকে রাত, প্রতি বেলার খাবার শর্করায় ভরপুর। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, টানা ৩০ দিন যদি এই শর্করা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন তবে আপনার শরীরে কী কী পরিবর্তন দেখা দিতে পারে? এক মাস সময়টি আসলে খুব দীর্ঘ না হলেও শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনগুলো বোঝার জন্য যথেষ্ট। এক মাস শর্করা না খেতে ওজন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষুধা, শক্তি এবং হজমশক্তিতেও আসে লক্ষণীয় পরিবর্তন। জেনে নিন টানা এক মাস কম শর্করা বা লো-কার্ব ডায়েট করলে আপনার শরীরে ঠিক কী কী পরিবর্তন ঘটে।

দ্রুত ওজন ও ফোলা ভাব কমে

কম শর্করা খাওয়ার এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ওজন মাপার যন্ত্রে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, এই প্রাথমিক ওজন কমা মূলত চর্বি নয়; বরং শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়ার ফল। শরীরে শর্করা গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে, যা শরীরে পানি ধরে রাখে। যখন শর্করা গ্রহণ কমে যায়, তখন এই গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে এবং শরীর বাড়তি পানি ছেড়ে দেয়। এতে চেহারার ফোলা ভাব এবং পেটের ব্লোটিং কমে যায়।

ক্ষুধার ওপর নিয়ন্ত্রণ

শর্করা, বিশেষ করে পরিশোধিত শর্করা, যেমন চিনি, সাদা চাল বা ময়দা রক্তে চিনির মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, যা আবার দ্রুতই নেমে যায়। ফলে বারবার ক্ষুধা পায় এবং মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি প্রচণ্ড আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। কিন্তু যখন আপনি শর্করা কমিয়ে প্রোটিন, শাকসবজি এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি খাওয়া বাড়িয়ে দেন, তখন রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। এতে বারবার হালকা নাশতা খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে।

শক্তির মাত্রায় পরিবর্তন

লো-কার্ব ডায়েটের প্রথম সপ্তাহে আপনি কিছুটা অলস বা ক্লান্ত অনুভব করবেন। শরীর যখন প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে গ্লুকোজের বদলে অন্য উৎস ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হবে, তখন এ পরিবর্তনটি দেখা যাবে। তবে এ ধাপটি পার করতে পারলে আপনি আগের চেয়ে অনেক বেশি কর্মক্ষম অনুভব করবেন। বিশেষ করে দুপুরের খাবারের পর যে ঝিমুনি ভাব আসে, তা অনেকটাই কমে যায় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মন বেশ সতেজ থাকে।

হজম প্রক্রিয়ায় প্রভাব

শর্করা কমানোর ফলে হজম প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসে। অনেক সময় শর্করা কমাতে গিয়ে আমরা ভুলবশত আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিই, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। তবে যদি খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি, বাদাম ও বীজ রাখা হয়, তবে হজমশক্তি আরও উন্নত হয়। পরিশোধিত শর্করা বাদ দিলে পেট গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পায়।

রক্তে শর্করার ভারসাম্য

যাঁদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা রক্তে শর্করার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য ৩০ দিনের এ রুটিন জাদুর মতো কাজ করবে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, স্বল্পমেয়াদি শর্করা কমা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যখনই রক্তের শর্করা স্থিতিশীল হয়, তখনই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে সারা দিনে মেজাজের খিটখিটে ভাব কমে আসে এবং মানসিক একাগ্রতা আরও সুসংহত হয়।

টানা ৩০ দিন শর্করা কম খাওয়া মানে জীবন থেকে খাবার আনন্দ কেড়ে নেওয়া নয়। বরং এটি আপনার শরীর চেনার একটি সুযোগ। যখন শরীর সুষম জ্বালানি পায়, তখন এটি কেবল ওজনেই নয়, বরং মানসিক ও শারীরিকভাবেও আপনাকে সতেজ রাখে। তবে এ পরিবর্তনগুলো স্থায়ী করতে হলে এক মাস পর আবার ঢালাওভাবে শর্করা খাওয়া শুরু না করে একটি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

তবে মনে রাখতে হবে, সবার শারীরিক অবস্থা একরকম নয়। এই লো-কার্ব ডায়েট শুরু করার আগে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিন। প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে পরামর্শ নিন। নিজে নিজে কিছু করতে যাবেন না।

সূত্র: এনডিটিভি ফুড ও অন্যান্য

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ