1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910

২৫ বছরের খেদমতের পর বিদায়, সম্মাননায় সিক্ত মুয়াজ্জিন আইয়ুব আলী

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৯ ০ বার সংবাদটি পরেছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি// পটুয়াখালীর মুসলিম পাড়া বাইতুল মোকাররম জামে মসজিদের দীর্ঘদিনের মুয়াজ্জিন আইয়ুব আলী মৃর্ধা বিদায় নিয়েছেন। প্রায় ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে মসজিদের খেদমতে নিয়োজিত এই মুয়াজ্জিনকে সম্মান জানিয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০১ সালে তিনি মসজিদটিতে মুয়াজ্জিন হিসেবে যোগদান করেন। তখন মসজিদের অবকাঠামো ছিল বেশ জরাজীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মসজিদটির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে এবং বর্তমানে এটি পটুয়াখালী শহরের অন্যতম পরিচিত মসজিদে পরিণত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে তিনি নিয়মিত আজান দেয়া, মসজিদ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, মুসল্লিদের নামাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ওজুখানা পরিচর্যাসহ নানা দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

 
শারীরিক অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে খুতবার আগে আজান দেয়ার মধ্য দিয়ে এই মসজিদে তার দীর্ঘ পথচলার সমাপ্তি ঘটে। পরে মুসল্লি ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান।
 
বিদায়ী মুহূর্তে আইয়ুব আলী মৃর্ধা বলেন, ‘আমি অনেক বছর ধরে এই মসজিদের খেদমতে ছিলাম। আমার কথা বা ব্যবহারে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। এই মসজিদ ছেড়ে যেতে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে যেতে হচ্ছে। কমিটি আমাকে যে অর্থ সহায়তা দিয়েছে, তা দিয়ে আমি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আবার হজে যাওয়ার ইচ্ছা রাখি।’
 
মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ আব্দুল কাদের বলেন, তিনি আমাদের মসজিদে প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর অবদান এই মসজিদের উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হলেও তিনি আমাদের কাছে সবসময়ই আপন, যখন ইচ্ছা তখনই মসজিদে আসতে পারবেন।’
 
মসজিদ কমিটির সদস্য গোলাম আহাদ দুলু বলেন, ‘পটুয়াখালীতে এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ইমাম বা মুয়াজ্জিনকে বিদায় জানানোর নজির আছে কিনা জানা নেই। তবে আমরা আমাদের মসজিদের পক্ষ থেকে তাকে সম্মান জানিয়ে বিদায় দিয়েছি। নগদ ২ লাখ টাকার পাশাপাশি জায়নামাজ, তাসবিহ, টুপি, পায়জামাসহ প্রয়োজনীয় উপহার দেয়া হয়েছে। সমাজে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানজনক বিদায়ের সংস্কৃতি গড়ে ওঠা উচিত।’

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ