1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910

থইথই পানিতে ভাসছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৩ ০ বার সংবাদটি পরেছে

অনলাইন ডেস্ক // টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কিশোরগঞ্জের হাওড়াঞ্চলে প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে। এতে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ বোরো ধানের জমি। আকস্মিক এই বন্যায় একমাত্র ফসল হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। আগাম বন্যার আশঙ্কায় অনেকেই বাধ্য হয়ে পানির নিচ থেকে কাঁচাপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলার বিভিন্ন হাওড় এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার কাঁচাপাকা ধান ইতোমধ্যে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে হাওড়ের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইটনা পয়েন্টে ধনু ও বৌলাই নদীর পানি ৪৯ মিলিমিটার, চামড়াঘাট পয়েন্টে মগরা নদীর পানি ৬৩ মিলিমিটার, অষ্টগ্রাম পয়েন্টে কালনী নদীর পানি ৬৯ মিলিমিটার এবং ভৈরব বাজার পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি ৫৫ মিলিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় আগাম বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
 
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘জেলার প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়ছে। তবে তা এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’
 
টানা বর্ষণে হাওড়ের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বাড়তি মজুরি দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ক্ষেতেই পাকা ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিশোরগঞ্জের নিকলী প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী আরও চার দিন আবহাওয়া বৈরী থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
 
গেল সপ্তাহেও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাপুর হাওড়জুড়ে ছিল সোনালি ধানের ঝিলিক। অথচ সেই হাওড়ের পাকা ধান এখন থইথই পানিতে ডুবে আছে। চলমান বৃষ্টি আর উজানের ঢলে খোয়াই নদীর পানি উপচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ধানের জমি।
 
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘পানি বাড়তে থাকায় ধান ৮০ ভাগ পাকলেই তা কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।’
 
চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে কেবল হাওড়ের তিনটি উপজেলাতেই (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আবাদ হয়েছে ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ১১ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ