1. admin@bangladeshkontho.com : admin :
  2. gaziarifurrahaman46@gmail.com : Gazi Arif : Gazi Arif
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা-উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায়ে প্রতিনিধি আবশ্যক।  যোগাযোগ :01719-480910
সংবাদ শিরোনাম :

রাজধানীতে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ১৬ ০ বার সংবাদটি পরেছে
 রাজধানীর দনিয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থী-অভিভাবক-স্থানীয়দের বিক্ষোভ। ছবি: দখিনের কথা। 
শ্যামপুর-কদমতলী (প্রতিনিধি) ঢাকা ।। ‎‎রাজধানীর কদমতলী থানার দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুনের মৃত্যু ঘিরে বিদ্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সাবিকুনের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক চাপ ও অপমানজনক আচরণের শিকার হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল সে। এই কারণে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে সাবিকুন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলেছে, গতকাল বুধবার ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরপর আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় লোকজনও। এ সময় তাঁরা ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে অবরুদ্ধ করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান পুলিশ সদস্যরা।

বেলা ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে ইটপাটকেল ছোড়েন। এতে জানালাসহ বিভিন্ন জায়গার কাচ ভেঙে যায়। এরপরই তাঁরা ১০ তলা ভবনটির নিচতলার ভেতরের কিছু আসবাব ভাঙচুর করেন। বেলা ৪টার দিকে পুলিশ গিয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে বের করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তাঁকে মারধর করেন বিক্ষোভকারীরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

বিক্ষোভ, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় পুলিশের দুজন সদস্যসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে নিয়ে যাওয়ার প্রায় আধা ঘণ্টা পর কদমতলী থানার পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ভবনের সামনে হাজির হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড মারা হয়। বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।‎

‎এ ব্যাপারে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান লায়ন মাসুদ হাসান লিটন আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষার্থী সাকিবুন গতকাল বুধবার রাতে আত্মহত্যা করেছে। তিনি দাবি করেন, তার মা তাঁকে বকা দেওয়ায় সে আত্মহত্যা করেছে।

‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্র বলেছে, শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির আচরণ অত্যন্ত কঠোর ও অসম্মানজনক। সামান্য বিষয়েও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডেকে অপমান করা হয় এবং প্রায়ই ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

‎‎কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, স্কুলের কিছু শিক্ষকের আচরণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে আছে।‎

সাবিকুনের মৃত্যুর পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

‎এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি শান্ত। আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। স্কুলের চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনায় দুটি মামলা হবে।’‎

আমাদের ফেইসবুক পেইজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ